• শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১০ অপরাহ্ন
Headline
মরহুম আব্দুল মোমিন তালুকদার খোকা এমপি স্মৃতি আন্ত:জেলা ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন আদমদীঘিতে দুর্গা পুজা উপলক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসনের প্রস্তুতি মুলক সভা শ্রীপুরে নবাগত ইউএনও’র সাথে প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের প্রধান আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হলেন শ্রীপুরের কৃতি সন্তান অ্যাড. কাজী আব্দুর রশিদ শ্রীপুরে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষ্যে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কাঁটাতারের বেড়ায় ২৮ বছরের চলাচলের পথ বন্ধ; ভোগান্তিতে পথচারী শ্রীপুরে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় বৃদ্ধকে পিটিয়ে হাত-পা ভাঙল মাদক ব্যবসায়ী ও তার পরিবার সান্তাহারে ফুটসাল ফুটবল টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন করেন সাবেক পৌর মেয়র তোফাজ্জল হোসেন ভুট্টু  নিখোঁজ স্ত্রী সন্ধান চেয়ে স্বামীর থানায় জিডি; ১৬ দিনেও উদ্ধার হয়নি আদমদীঘিতে এনএসডিএস উদ্যোগে বির্তক প্রতিযোগীতা ও পুরস্কার বিতরন

শ্যামপুরে বিএনপি নেতা হত্যা: ২২ বছর পর ৬ জনের যাবজ্জীবন

জেলা প্রতিনিধি / ১১১ Time View
Update : রবিবার, ৩ মে, ২০২৬

রাজধানীর শ্যামপুরে বিএনপির এক নেতাকে গুলি করে হত্যার ২২ বছর পর এ সংক্রান্ত মামলার রায় দিয়েছেন আদালত। এ মামলায় দীর্ঘ তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ২০০৪ সালে নাঈম শিকদার বিন্দু নামের এক বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

রোববার (৩ মে) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক জাকারিয়া হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডিতরা হলেন- শামীম হোসেন শিকদার, শহিদুল ইসলাম ওরফে ঠোঁটকাটা রিপন, শহীদ ওরফে ড্রাইভার শহীদ, শহিদ হোসেন ওরফে সেঞ্চু, দুলাল ওরফে কালা দুলাল (জাকির হোসেন নামেও পরিচিত) এবং আমিনুল ইসলাম।

তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে, অনাদায়ে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। মামলার আসামি ‘ড্রাইভার শহীদ’ বিচার চলাকালেই মারা গেছেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, রায় ঘোষণার সময় আমিনুল ইসলাম আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে সাজা পরোয়ানার মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। অন্য আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নাঈম শিকদারের সঙ্গে আসামিদের বিরোধ তৈরি হয়, যা ধীরে ধীরে সংঘাতে রূপ নেয়। ঘটনার আগে তাকে একাধিকবার হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল।

২০০৪ সালের ১৬ নভেম্বর সন্ধ্যায় শ্যামপুরের কলিমুল্লাহ বাগ এলাকার এক সেলুনের সামনে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় হামলাকারীরা। এতে তিনি গুরুতর আহত হন, পরে মারা যান।

ঘটনার পরদিন নিহতের স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন কদমতলী থানায় ১১ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। শুরুতে থানা পুলিশ তদন্ত করলেও অগ্রগতি না হওয়ায় মামলাটি ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়। পরে ডিবি চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিলে তাতে আপত্তি জানানো হলে তদন্তের দায়িত্ব যায় সিআইডির কাছে।

সিআইডি তদন্ত শেষে ২০১০ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। এরপর ২০১৪ সালের ৩০ অক্টোবর অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

আদালতে একমাত্র গ্রেফতার আসামি আমিনুল ইসলাম নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেও সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত ছয়জনকে দোষী সাব্যস্ত করে এ রায় দেন।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category