বগুড়ার আদমদীঘিতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে খাতুন বেওয়া (৬০) নামের এক বিধবা নারীকে পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোববার বিকেল সাড়ে ৫টায় আদমদীঘি উপজেলা সদরের তেঁতুলিয়া গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত বিধবা খাতুন বেওয়া ওই গ্রামের মৃত দবির উদ্দিন ফকিরের স্ত্রী। এই ঘটনার পর পর স্থানীয় জনতা ঘটনার সাথে জড়িত বুদ্ধি প্রতিবন্ধী সামছুল হক কে আটক করে থানা পুলিশের কাছে সোর্পদ করে। আটক সামছুল হক একই গ্রামের মৃত- আব্দুর রশিদ ছেলে।
গ্রামবাসী ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, সামছুল আলম একজন বুদ্ধি প্রতিবন্ধী তাকে কয়েক দিন যাবত তার মা ঘরে দরজায় তালা দিয়ে রাখে। রোববার বিকেলে খাতুন বেওয়া ওই বাড়িতে গিয়ে এই দৃশ্য দেখে তার ঘরের তালা খুলে দেয়ার সাথে সাথে প্রতিবন্ধী সামছুল হক ক্ষিপ্ত হয়ে খাতুন বেওয়া কে ওড়না দিয়ে বেঁধে এলোপাথারী ভাবে লাথি ও মারপিট করতে করতে ঘরের বাহিরে নিয়ে আসে। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে। এতে সে গুরুত্বর আহত হয়। খবর পেয়ে গ্রামবাসী আহত খাতুন বেওয়াকে উদ্ধার করে প্রথমে আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে অবস্থার অবনতি হলে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল হাসপাতালে নেয়ার পথের মধ্যে খাতুন বেওয়া মারা যায়।
এ বিষয়ে আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুজ্জামান মিয়া জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তরে জন্য বগুড়া মর্গে প্রেরন করা হয়েছে এবং ঘটনার সাথে জড়িত সামছুল হক কে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।