ক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফ সীমান্তবর্তী হোয়াইক্যং ইউনিয়নে রোহিঙ্গা জলদস্যুদের দৌরাত্ম্যে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন স্থানীয় গ্রামবাসী ও জেলেরা। নাফ নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে প্রতিনিয়ত ডাকাতি ও অপহরণের শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
স্থানীয় জেলেদের অভিযোগ, সংঘবদ্ধ একটি জলদস্যু চক্র দীর্ঘদিন ধরে নাফ নদীতে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। তারা ভারী অস্ত্রের মুখে জেলেদের জাল, নৌকা, মাছ লুট করে নিচ্ছে এবং মুক্তিপণ আদায়ের জন্য অপহরণ করছে। ভয়ে অনেক জেলে নদীতে যেতে সাহস পাচ্ছেন না, ফলে তাদের জীবিকা হুমকির মুখে পড়েছে।
স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই চক্রের সঙ্গে জড়িত হিসেবে যাদের নাম উঠে এসেছে তারা হলেন-
১. মোহাম্মদ নূর, ক্যাম্প-১১
২. মোহাম্মদ আয়াস, পিতা- মৌলভী মোহাম্মদ মাসন , বয়স- ২৭, ক্যাম্প-১১
৩. আলমগীর, পিতা- লেরু, বয়স- ২৮, রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১১
৪. হালা ফুতু, বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১১
স্থানীয়দের দাবি, উল্লিখিত ব্যক্তিরা RSO এর নাম ব্যবহার করে সীমান্ত এলাকায় সশস্ত্র অবস্থায় চলাফেরা করে।
গ্রামবাসীর প্রশ্ন, বিজিবির কঠোর নজরদারি থাকা সত্ত্বেও কিভাবে এরা বড় বড় অস্ত্র নিয়ে বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্তে অবস্থান করছে? তাদের আশঙ্কা, এখনই এদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা না নিলে ইয়াবার মতো মাদক পাচারের মাধ্যমে এরা সমাজকে ধ্বংস করে দেবে।
এ বিষয়ে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ভুক্তভোগী জেলেরা প্রশাসন, বিজিবি ও কোস্টগার্ডের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। অবিলম্বে উল্লিখিত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জন্য