• শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৭ পূর্বাহ্ন
Headline
মরহুম আব্দুল মোমিন তালুকদার খোকা এমপি স্মৃতি আন্ত:জেলা ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন আদমদীঘিতে দুর্গা পুজা উপলক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসনের প্রস্তুতি মুলক সভা শ্রীপুরে নবাগত ইউএনও’র সাথে প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের প্রধান আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হলেন শ্রীপুরের কৃতি সন্তান অ্যাড. কাজী আব্দুর রশিদ শ্রীপুরে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষ্যে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কাঁটাতারের বেড়ায় ২৮ বছরের চলাচলের পথ বন্ধ; ভোগান্তিতে পথচারী শ্রীপুরে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় বৃদ্ধকে পিটিয়ে হাত-পা ভাঙল মাদক ব্যবসায়ী ও তার পরিবার সান্তাহারে ফুটসাল ফুটবল টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন করেন সাবেক পৌর মেয়র তোফাজ্জল হোসেন ভুট্টু  নিখোঁজ স্ত্রী সন্ধান চেয়ে স্বামীর থানায় জিডি; ১৬ দিনেও উদ্ধার হয়নি আদমদীঘিতে এনএসডিএস উদ্যোগে বির্তক প্রতিযোগীতা ও পুরস্কার বিতরন

হাজার বছর আগেও ব্যবহার হতো কাজল, সত্যি জানলে চমকে যাবেন

লাইফ স্টাইল ডেস্ক / ১২৬ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬

কাজল শুধু সৌন্দর্যবর্ধনের প্রসাধনী নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে হাজার বছরের ইতিহাস, স্বাস্থ্যচর্চা এবং সাংস্কৃতিক বিশ্বাস। বর্তমানে চোখের সৌন্দর্য বাড়াতে কাজল ব্যবহৃত হলেও প্রাচীনকালে এর ব্যবহার ছিল আরও বহুমাত্রিক।

ইতিহাসবিদদের মতে, সিন্ধু সভ্যতার সময় থেকেই কাজলের প্রচলন ছিল। সে সময় নারী-পুরুষ ও শিশুরা সমানভাবে কাজল ব্যবহার করতেন। আয়ুর্বেদে কাজলকে ‘অঞ্জন’ নামে উল্লেখ করা হয়েছে এবং এটি চোখের যত্নে প্রাকৃতিক ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হতো।

খাঁটি ঘি বা রেড়ির তেলের প্রদীপের ধোঁয়া থেকে সংগৃহীত কার্বনের সঙ্গে কর্পূর, চন্দন ও কেশরের মতো ভেষজ উপাদান মিশিয়ে কাজল তৈরি করা হতো।

আয়ুর্বেদ শাস্ত্র অনুযায়ী, কাজলের শীতল উপাদান চোখের জ্বালা, লালচে ভাব ও ক্লান্তি কমাতে সহায়তা করত। পাশাপাশি ঘি-সমৃদ্ধ মিশ্রণ চোখকে আর্দ্র রাখত এবং শুষ্কতা প্রতিরোধে ভূমিকা রাখত।

প্রাচীনকালে কাজল ছিল চোখের সুরক্ষারও একটি কার্যকর উপায়। আধুনিক সানগ্লাসের প্রচলন না থাকায় সূর্যের তীব্র আলো থেকে চোখকে রক্ষা করতে চোখের চারপাশে গাঢ় কাজল ব্যবহার করা হতো।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কালো রং সূর্যের ঝলকানি শোষণ করে চোখে আলো প্রতিফলনের মাত্রা কমায়। এছাড়া কাজলের তৈলাক্ত স্তর বাতাসে উড়ে আসা ধুলোবালি, পরাগরেণু ও ক্ষুদ্র পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকেও চোখকে সুরক্ষা দিত।

উপমহাদেশের সংস্কৃতিতে কাজলকে ‘কুদৃষ্টি’ বা অশুভ নজর থেকে রক্ষার প্রতীক হিসেবেও দেখা হয়। নবজাতকের কপালে কালো টিপ দেওয়া কিংবা কনের চোখে গাঢ় কাজল পরানোর রীতি সেই বিশ্বাসেরই ধারাবাহিকতা।

আধুনিক গবেষণাও কাজলের কিছু উপকারিতার ইঙ্গিত দিয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, এর কিছু উপাদানে প্রদাহ কমানোর ক্ষমতা রয়েছে। ফলে কাজল আজও শুধু রূপচর্চার অনুষঙ্গ নয়, বরং ইতিহাস, স্বাস্থ্য ও সংস্কৃতির এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category