মাগুরার শ্রীপুরে এসএসসি ২০০৮ ও এইচএসসি ২০১০ সালের ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থীদের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার দিনব্যাপী এ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়। ঈদ-উল-আজহার পরের দিন সকাল সকাল সাবেক শিক্ষার্থীদের পদচারণে মুখর হয়ে ওঠে শ্রীপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজ মাঠ প্রাঙ্গন। সাবেক শিক্ষার্থীরা ঈদ পুনর্মিলনী উৎসবে মেতে উঠেছিলেন আনন্দে, যেন খুঁজে পেয়েছিলেন নিজেদের শৈশব। সারাদিনের সকল প্রোগ্রাম শেষে আয়োজন করা হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে ওই ব্যাচের শিক্ষার্থীরা ও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত শিল্পীরা গান পরিবেশন করেন।
দীর্ঘ সময় পর আবার সবাইকে একসঙ্গে পেয়ে যেন কর্মজীবনের সব ক্লান্তি দূর হয়ে গিয়েছিল সাবেক শিক্ষার্থীদের। পুরোনো ক্যাম্পাসকে নতুন করে ক্যামেরাবন্দী করে রাখতে ছিল অনেক কসরত। প্রাণের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধুর মিলনে সতীর্থরা একে অপরের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও কোলাকুলির মাধ্যমে বন্ধুত্বের নতুন বন্ধন তৈরি করেন। সব ভেদাভেদ ভুলে সবাই একই মিশেলে মিলিত হন।
শিক্ষার্থীরা বলেন, ২০১৪ সাল থেকে পরপর ৩ বার আমাদের এই ব্যাচের পূর্নমিলনী করতে সক্ষম হয়েছি। ১০ বছর পর আমরা আবারো পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে সক্ষম হয়েছি। এবার থেকে আমরা প্রতি বছর এ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান আয়োজন করবো। বন্ধুত্বের টানে শৈশবের মধুর স্মৃতিচারণায় ঈদের পরের দিন ব্যতিক্রমধর্মী মিলনমেলার আয়োজন করা হয়েছে। ব্যাচের সদস্যদের অনেকেই দেশ ও দেশের বাইরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পেশায় নিয়োজিত। আমরা আমাদের শত ব্যস্ততার মাঝেও শৈশব-কৈশোরের খোঁজে এখানে ছুটে এসেছি, স্বপ্নের দরবারে, স্মৃতির আঙিনায়।
জাঁকজমকপূর্ণ এ আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন শ্রীপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ নির্মল কুমার সাহা।
তিনি বলেন, পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে মেলবন্ধন রচিত হয়। সুখ-দুঃখের স্মৃতি রোমন্থন করার সুযোগ ঘটে। এর মাধ্যমে পরস্পরের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব ও সৌহার্দ্যের বন্ধন আরও সুদৃঢ় হয়।