• শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩৮ অপরাহ্ন
Headline
মরহুম আব্দুল মোমিন তালুকদার খোকা এমপি স্মৃতি আন্ত:জেলা ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন আদমদীঘিতে দুর্গা পুজা উপলক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসনের প্রস্তুতি মুলক সভা শ্রীপুরে নবাগত ইউএনও’র সাথে প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের প্রধান আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হলেন শ্রীপুরের কৃতি সন্তান অ্যাড. কাজী আব্দুর রশিদ শ্রীপুরে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষ্যে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কাঁটাতারের বেড়ায় ২৮ বছরের চলাচলের পথ বন্ধ; ভোগান্তিতে পথচারী শ্রীপুরে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় বৃদ্ধকে পিটিয়ে হাত-পা ভাঙল মাদক ব্যবসায়ী ও তার পরিবার সান্তাহারে ফুটসাল ফুটবল টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন করেন সাবেক পৌর মেয়র তোফাজ্জল হোসেন ভুট্টু  নিখোঁজ স্ত্রী সন্ধান চেয়ে স্বামীর থানায় জিডি; ১৬ দিনেও উদ্ধার হয়নি আদমদীঘিতে এনএসডিএস উদ্যোগে বির্তক প্রতিযোগীতা ও পুরস্কার বিতরন

যেভাবে আর্জেন্টিনার প্রেমে নায়িকা পূর্ণিমা

বিনোদন ডেস্ক / ৭৯ Time View
Update : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

ফুটবল বিশ্বকাপ এলেই বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল সমর্থন নিয়ে শুরু হয় উন্মাদনা। সেই উন্মাদনা থেকে নিজেকে দূরে রাখেননি ঢালিউডের জনপ্রিয় নায়িকা দিলারা হানিফ পূর্ণিমা। বিশ্বকাপের এই সময়ে তিনিও হয়ে ওঠেন আর্জেন্টিনার একজন উচ্ছ্বসিত সমর্থক। শৈশবের স্মৃতি, পরিবারের প্রভাব, দিয়েগো ম্যারাডোনা থেকে লিওনেল মেসি—সব মিলিয়ে আর্জেন্টিনার প্রতি তাঁর ভালোবাসা অন্য রকম।

পূর্ণিমা জানান, ছোটবেলায় বিশ্বকাপ মানেই ছিল চারপাশে ম্যারাডোনাকে নিয়ে আলোচনা। চট্টগ্রামের মেয়ে পূর্ণিমা বাবার চাকরিসূত্রে ঢাকার পিজি হাসপাতালের স্টাফ কোয়ার্টারে থাকতেন। তখন তিনি আর্জেন্টিনা বা ব্রাজিল সম্পর্কে খুব বেশি কিছু জানতেন না। তবে আশপাশে আকাশি-সাদা পতাকা, বাড়ির দেয়ালে দেয়ালে রং করার প্রতিযোগিতা আর মানুষের উচ্ছ্বাস দেখে আর্জেন্টিনার প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। সেই সঙ্গে মা–বাবাসহ পরিবারেও সবাই ম্যারাডোনার সমর্থক ছিলেন, যা তাঁর ভালো লাগা আরও বাড়িয়ে তোলে।

সেই সময়ের কথা মনে করে পূর্ণিমা বললেন, ‘ছোটবেলা থেকে যখন বিশ্বকাপ খেলা দেখি, এটা যে চার বছর পর পর আসে এটাই বুঝতাম না। যখন বোঝা শুরু করলাম, দেখি আশপাশে সবাই—ম্যারাডোনা, ম্যারাডোনা করত। ম্যারাডোনা কী, আর্জেন্টিনা দেশ কি না—সেটাও তখন আমি জানি না। কিন্তু মানুষ খুব খেলা দেখছে, ম্যারাডোনা হাত দিয়ে গোল করেছে, কী যেন রেকর্ডও ছিল—এসব আলোচনা হতো। তারপর আশপাশে বিল্ডিংগুলোতে দেখতাম যে রং করা নিয়ে কম্পিটিশন লাগত। তখন আমি দুই দেশই চিনতাম, ব্রাজিল আর আর্জেন্টিনা। আমাদের দেশে দেখতাম, খেলার আগে বিল্ডিংগুলো আকাশি–সাদা রং করত, কোনোটা আবার হলুদ আর সবুজের কম্বিনেশনে করত। তখন দেখতাম, বাংলাদেশের পতাকার চেয়ে খেলার সময় এসব পতাকা অনেক ছাদে টানানো হতো। ওখান থেকে আমার আর্জেন্টিনা চেনা। আর বাসায় যেহেতু সবাই সাপোর্ট করত, আব্বা–আম্মা ম্যারাডোনা ম্যারাডোনা বলত, সেটাও একটা কারণ।’

ব্রাজিলের চেয়ে আর্জেন্টিনাকে কেন বেশি পছন্দ করেন—এমন প্রশ্নে পূর্ণিমার সোজাসাপটা উত্তর, ‘আর্জেন্টিনায় ম্যারাডোনা ছিল, মেসি আছে—যেটা ব্রাজিলে নেই।’ এবারের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে ঘিরে বেশি উচ্ছ্বসিত পূর্ণিমা। এই উচ্ছ্বাসে তাঁর স্বামী আশফাকুর রহমানের প্রভাবটা বেশি। আর্জেন্টিনা ভক্ত পূর্ণিমার স্বামী আশফাকুর রহমান এবারের বিশ্বকাপে বন্ধু-স্বজনদের প্রিয় দলের জার্সি উপহার দিয়েছেন, পরিবারের জন্যও নতুন জার্সি কিনেছেন।

পূর্ণিমা বলেন, ‘আগে খেলা নিয়ে এক রকম উৎসাহ কাজ করত। এখন ওর (স্বামী আশফাকুর রহমান) কারণে আমি আরও বেশি আর্জেন্টিনার খেলা নিয়ে মেতে থাকি। আমি এত বেশি খেলাপাগল ছিলাম না। ওকে দেখি—জার্সি কিনে, মানুষকে গিফট করে, আমাদের জন্যও আনে, একাকার অবস্থা। এমনকি যারা আর্জেন্টিনা করে না, তাদেরকে জোর করে হলেও আর্জেন্টিনার জার্সি পরিয়ে দেয়। ওর মধুর যন্ত্রণায় আমি জার্সি পরে খেলা দেখি, এর আগে কখনো এমনটা হয়নি। তখন মনে হয় যে খেলা দেখার সময় সবাই যেহেতু জার্সি পরছে আমি কেন পরব না।’

দেশের সিনেমার অন্যতম সফল অভিনেত্রী পূর্ণিমা মাত্র ১৫ বছর বয়সে চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন। ১৯৯৮ সালের ১৫ মে মুক্তি পাওয়া ‘এ জীবন তোমার আমার’ সিনেমায় রিয়াজের বিপরীতে অভিনয়ের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে তাঁর। প্রথম ছবিতেই মানুষের নজর কাড়েন তিনি। এরপর ‘যোদ্ধা’, ‘সন্তান যখন শত্রু’, ‘পিতা-মাতার আমানত’, ‘হৃদয়ের কথা’, ‘বিয়ের প্রস্তাব’, ‘মনের মাঝে তুমি, ‘পরাণ যায় জ্বলিয়া রে’সহ একের পর এক জনপ্রিয় ও ব্যবসাসফল সিনেমায় অভিনয় করে ঢালিউডের প্রথম সারির নায়িকা হয়ে ওঠেন। কাজী হায়াত পরিচালিত ‘ওরা আমাকে ভালো হতে দিলো না’ ছবির জন্য অর্জন করেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।
অভিনয়ে এখন আগের মতো নিয়মিত না হলেও বিনোদন অঙ্গন থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নেননি পূর্ণিমা। তাঁর অভিনীত ‘গাঙচিল’ ও ‘জ্যাম’ দীর্ঘদিন ধরে মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। সর্বশেষ তাঁকে দেখা গেছে ছটকু আহমেদ পরিচালিত ‘আহারে জীবন’ চলচ্চিত্রে। এরই মধ্যে নতুন চলচ্চিত্রের প্রস্তাবও পাচ্ছেন তিনি। তবে নিজের পছন্দের গল্প ও চরিত্রের অপেক্ষায় রয়েছেন এ অভিনেত্রী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category