• শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৫ অপরাহ্ন
Headline
মরহুম আব্দুল মোমিন তালুকদার খোকা এমপি স্মৃতি আন্ত:জেলা ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন আদমদীঘিতে দুর্গা পুজা উপলক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসনের প্রস্তুতি মুলক সভা শ্রীপুরে নবাগত ইউএনও’র সাথে প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের প্রধান আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হলেন শ্রীপুরের কৃতি সন্তান অ্যাড. কাজী আব্দুর রশিদ শ্রীপুরে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষ্যে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কাঁটাতারের বেড়ায় ২৮ বছরের চলাচলের পথ বন্ধ; ভোগান্তিতে পথচারী শ্রীপুরে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় বৃদ্ধকে পিটিয়ে হাত-পা ভাঙল মাদক ব্যবসায়ী ও তার পরিবার সান্তাহারে ফুটসাল ফুটবল টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন করেন সাবেক পৌর মেয়র তোফাজ্জল হোসেন ভুট্টু  নিখোঁজ স্ত্রী সন্ধান চেয়ে স্বামীর থানায় জিডি; ১৬ দিনেও উদ্ধার হয়নি আদমদীঘিতে এনএসডিএস উদ্যোগে বির্তক প্রতিযোগীতা ও পুরস্কার বিতরন

কম বয়সে চুল পাকার পেছনের কারণগুলো

Reporter Name / ১১৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬

কেন চুল পাকে আগেভাগে?

বিশেষজ্ঞদের মতে, সবচেয়ে বড় কারণ হলো জিনগত প্রভাব। অর্থাৎ পরিবারে কারো কম বয়সে চুল পাকার ইতিহাস থাকলে, সেটাই অনেক সময় সন্তানের মধ্যেও দেখা যায়।

চুলের রঙ তৈরি করে যে কোষগুলো—মেলানোসাইট—সেগুলো মেলানিন নামের রঞ্জক তৈরি করে। এই রঞ্জকই চুলকে কালো বা বাদামি রঙ দেয়।

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই কোষগুলো ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ে। একসময় তারা আর রঙ তৈরি করতে পারে না—তখনই চুল ধূসর বা সাদা হয়ে যায়।

তবু কি সবটাই ভাগ্যের খেলা?

পুরোটা নয়। শরীরের ভেতরের যত্নও এখানে গুরুত্বপূর্ণ।

অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে—

ভিটামিন বি-১২, ডি
আয়রন, জিংক
কপার (তামা)

এই পুষ্টিগুলোর ঘাটতি থাকলে চুল আগেভাগেই পেকে যেতে পারে। বিশেষ করে বি-১২—যা রক্তের মাধ্যমে চুলের গোড়ায় অক্সিজেন পৌঁছে দেয়—তার অভাব হলে চুলের রঙ তৈরির প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়।

আবার অতিরিক্ত স্ট্রেস, দূষণ, ধূমপান—এসবও শরীরে ‘অক্সিডেটিভ স্ট্রেস’ বাড়ায়, যা চুল পাকার গতি বাড়াতে পারে।

এটা কি ঠেকানো যায়?

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সত্য হলো—সব ক্ষেত্রে না।

যদি কারণটা জিনগত হয়, তাহলে চুল পাকা পুরোপুরি থামানো প্রায় অসম্ভব। তবে যদি পুষ্টির ঘাটতি বা জীবনযাপনের কারণে হয়, তাহলে কিছুটা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।

চিকিৎসকেরা বলেন-

সুষম খাবার
পর্যাপ্ত ঘুম
মানসিক চাপ কমানো
প্রয়োজন হলে ডাক্তার পরামর্শে সাপ্লিমেন্ট

এসব কিছু ক্ষেত্রে চুলের অবস্থার উন্নতি ঘটাতে পারে। শেষ পর্যন্ত গল্পটা শুধু চুলের রঙ বদলের নয়—দৃষ্টিভঙ্গিরও। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে অ্যাশলে আর আগের মতো অস্বস্তি বোধ করে না। ধূসর চুলগুলোকে আঙুলে পাকিয়ে দেখে—এগুলো লুকানোর কিছু না, মুছে ফেলারও না। এগুলো তারই গল্প, একটু আগেভাগে লেখা।

হয়তো জীবন এমনই—সবকিছু ঠিক সময়ে হয় না, কিছু কিছু জিনিস একটু আগে এসে দরজায় কড়া নাড়ে। আর তখনই আমাদের শিখতে হয়, বদলে যাওয়াকে ভয় না পেয়ে তাকে নিজের মতো করে গ্রহণ করতে।

কারণ শেষ পর্যন্ত, এটা কোনো কমতি নয়—
এটাই তো নিজের মতো করে আলাদা হয়ে ওঠার শুরু।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category