• বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৭ অপরাহ্ন
Headline
সান্তাহার স্টেডিয়াম আধুনিকায়নের উদ্যোগ; জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সহকারি প্রকৌশলীর পরিদর্শন শ্রীপুরে অ্যাড. কাজী আব্দুর রশিদ সমন্বয় ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে খাদ্য ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ সান্তাহারে তিন শতাধিক বিএনপির কারা নির্যাতিত নেতা-কর্মীদের বিশাল সংবর্ধনা প্রদান সান্তাহারে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর অবসরপ্রাপ্তদের ৭ম পূর্ণ মিলনী অনুষ্ঠিত সান্তাহারে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের উদ্যোগে দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ আদমদীঘিতে দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত অনুমতি ছাড়া এনসিপি’র কমিটিতে নাম প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন কলেজ ছাত্রীকে ইভটিজিং ও প্রকাশ্যে শ্লীলতাহানির হুমকি; ইউএনও ও থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের সান্তাহারে দমদমা উদীয়মান যুব শক্তি ক্লাবের আয়োজনে নাইট শর্টবার ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত  আদমদীঘিতে গর্ভকালীন সেবা কার্ড প্রদানে ২০০ করে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ

লাল নাকি সাদা কোন ডিমে পুষ্টি বেশি

Reporter Name / ১৩৮ Time View
Update : শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

সকালের নাস্তাতায় ডিমসিদ্ধ, ডিমপোচ বা ডিমভাজি ছাড়া অনেকের দিনই শুরু হয় না। আবার দুপুরে ভাতের সঙ্গে তরকারি হিসেবেও ডিম খেয়ে থাকে। বিকেলের নাস্তা থেকে শুরু করে বিভিন্ন রেসিপিতেও ডিমের ব্যবহার ব্যাপক। পুষ্টিগুণে ভরপুর এই খাবারটি প্রায় সব বয়সের মানুষের জন্যই উপকারী। তবে বাজারে লাল ও সাদা-দুই ধরনের ডিম পাওয়া যায় বলে অনেকের

মনেই প্রশ্ন জাগে, কোন ডিম বেশি পুষ্টিকর?

পুষ্টিবিদদের মতে, এই ধারণা যে লাল ডিম সাদা ডিমের তুলনায় বেশি পুষ্টিকর-তা সঠিক নয়। বাস্তবে লাল ও সাদা ডিমের পুষ্টিগুণে তেমন কোনো পার্থক্য নেই। ডিমের খোসার রং নির্ধারণ করে মুরগির জাত বা জিনগত বৈশিষ্ট্য, পুষ্টিগুণ নয়।

কেন ডিমের রং আলাদা হয়

সাধারণত হালকা রঙের পালক ও সাদা কানের লতি থাকা মুরগি সাদা ডিম পাড়ে। অন্যদিকে লালচে বা বাদামি পালকের মুরগি লাল বা বাদামি রঙের ডিম দেয়। এটি সম্পূর্ণ জিনগত বৈশিষ্ট্যের কারণে ঘটে। তাই ডিমের খোসার রঙের সঙ্গে এর পুষ্টিগুণের কোনো সম্পর্ক নেই। অর্থাৎ লাল ডিম বেশি পুষ্টিকর-এমন ধারণার বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।

পুষ্টিগুণে কোনো পার্থক্য নেই

বিশেষজ্ঞদের মতে, লাল ও সাদা ডিমেই উচ্চমানের প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর চর্বি, কোলিন, ভিটামিন এ, ভিটামিন বি১২, ভিটামিন ডি, বায়োটিন, আয়রন, ফসফরাস ও সেলেনিয়ামের মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান প্রায় একই পরিমাণে থাকে। শুধু ডিমের আকার বড় বা ছোট হলে পুষ্টির পরিমাণে সামান্য তারতম্য হতে পারে।

ডিমের গুণমান কীসের ওপর নির্ভর করে?

ডিমের প্রকৃত গুণমান নির্ভর করে মুরগির খাদ্যাভ্যাস, পালনপদ্ধতি এবং ডিম কতটা টাটকা তার ওপর। পুষ্টিকর খাবার খাওয়া ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশে পালন করা মুরগির ডিম সাধারণত ভালো মানের হয়। তাই ডিমের রঙের চেয়ে এটি কীভাবে উৎপাদিত হয়েছে সেই বিষয়টিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

চোখ ও মস্তিষ্কের জন্য উপকারী

ডিমকে প্রকৃতির অন্যতম সেরা সুপারফুড বলা হয়। এতে থাকা লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিন নামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চোখের রেটিনাকে সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করে এবং বয়সজনিত দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ার ঝুঁকি হ্রাসে ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি ডিমের কোলিন মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা, স্মৃতিশক্তি এবং স্নায়ুতন্ত্রের স্বাভাবিক কাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ডিম কেনার সময় যে সব বিষয় খেয়াল রাখাবেন

ডিম কেনার সময় খোসার রং দেখে সিদ্ধান্ত না নিয়ে সেটি ফাটা বা নোংরা কি না, প্যাকেটজাত হলে মেয়াদ ঠিক আছে কি না এবং ডিম কতটা টাটকা খেয়াল করা উচিত। বিশ্বস্ত উৎস থেকে ডিম কিনলে ভালো মানের ডিম পাওয়ার সম্ভাবনাও বেশি থাকে।

ডিম সংরক্ষণের সঠিক নিয়ম

ডিম দীর্ঘদিন ভালো রাখতে হলে ৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার কম তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা উচিত। ফ্রিজের দরজার তাকে না রেখে ভেতরের ঠান্ডা অংশে রাখা ভালো, কারণ দরজা বারবার খোলা-বন্ধ হওয়ার ফলে সেখানে তাপমাত্রা ওঠানামা করে। ডিম নিজস্ব কার্টন বা ঢাকনাযুক্ত পাত্রে রাখলে এর সতেজতা আরও বেশি দিন বজায় থাকে।

লাল কিংবা সাদা দুই ধরনের ডিমই সমানভাবে পুষ্টিকর। তাই খোসার রং দেখে বিভ্রান্ত হওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং টাটকা, নিরাপদ ও সঠিকভাবে সংরক্ষিত ডিম বেছে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। প্রতিদিনের সুষম খাদ্যতালিকায় একটি ডিম রাখলে শরীর প্রয়োজনীয় প্রোটিন, ভিটামিন ও খনিজ উপাদানের ভালো উৎস পেতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category