‘ঢাকার চেয়ে এখানের রাস্তাগুলো অনেক পরিষ্কার লেগেছে আমার কাছে। এই পরিষ্কার করার কাজটি কিন্তু আমার দেশের ভাইয়েরাই করছে। কাজেই আমার কথা হচ্ছে, আমার দেশের ভাইয়েরা যদি এখানে পারেন, তা আমরা দেশে কেন পারব না?’
রোববার (২১ জুন) রাতে কুয়ালালামপুরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অনুষ্ঠানে মঞ্চে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।
তিনি বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের সামনে একটি অতি সুন্দর এবং উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ আছে। আমাদের এজন্য পরিশ্রম করতে হবে। আমাদের এজন্য কষ্ট করতে হবে। সবচেয়ে বড় বিষয়টি হচ্ছে—আমাদের এজন্য ধৈর্য ধারণ করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রিয় প্রবাসী ভাইয়েরা আপনারা জানেন, বিগত এক যুগ আমার ওপর দিয়ে কী গিয়েছে, আমার পরিবারের সঙ্গে কী হয়েছে। কম-বেশি একটা ধারণা আপনাদের আছে। আমি কয়েকদিন আগে বাংলাদেশের বেশ কিছু সাংবাদিক ভাইদের সঙ্গে কথা বলছিলাম। সেখানে আমি বলেছিলাম, দেখুন বিশেষ করে ওয়ান ইলেভেনের পরে এবং তারপরেও বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সময় কতগুলো ঘটনা ঘটছিল আমার সঙ্গে, কতগুলো ঘটনা ঘটেছে আমার মায়ের সঙ্গে, কতগুলো ঘটনা ঘটছে আমার ভাইয়ের সঙ্গে, বিভিন্ন ঘটনা ঘটেছে। আপনারা হয়তো ভুলে গেছেন, সেই সময় হয়তো অনেকেই দেখেছেন, কিন্তু এখন ভুলে গেছেন।
তারেক রহমান বলেন, আম্মা একবার খুব অসুস্থ হয়ে গিয়েছিলেন। সেই সময় একটি হসপিটালে অ্যাম্বুলেন্স চাওয়া হয়েছিল। তারা অ্যাম্বুলেন্স দেয়নি। এখন আজকে এই মুহূর্তে বিএনপি দেশ পরিচালনার দায়িত্বে আছে, আমি প্রাইম মিনিস্টার, আমি চাইলে ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে হয়তো প্রতিশোধ নিতে পারি, কিন্তু আমি যদি নেই তাতে বেনিফিট কী হবে বলতে পারেন? কোনো বেনিফিট হবে কারো? কোনো বেনিফিট হবে না।
তিনি বলেন, আমরা যদি সবাই মিলে হইচই করি। সবাই মিলে যদি নিজেরটা দাবি করি, তাহলে কোনোটিই হবে না। দেশ আমাদের সবার। আমাদের সবাইকে ধৈর্য ধারণ করে ধীরে ধীরে এগোতে হবে।