• রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৫৯ অপরাহ্ন
Headline
এলপিজির নতুন দাম ১৯৪০, বাজারে বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার টাকায় রাজধানীতে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির মৃত্যু ষষ্ঠ শ্রেণিতে ওঠার ৪ মাস পর অনুষ্ঠিত প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা দিতে আসেনি ৩৩.৯% পরীক্ষার্থীরা অতীতে ছাত্রলীগ করলেও এনসিপিতে যোগ দেয়া যাবে: নাহিদ ইসলাম গুলশানে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, গ্রেফতার ইউসুফের ২ দিনের রিমান্ড জুলাই হত্যাযজ্ঞ: কাদের-সাদ্দামসহ শীর্ষ ৭ নেতার বিরুদ্ধে তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য তারাকান্দায় বিএনপির দুই গ্রুপের কর্মসূচি ঘিরে ১৪৪ ধারা জারি তেলের দাম বাড়লেও কাটেনি ভোগান্তি, পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের খবর শুনে ট্রাম্পের চিৎকার সাতক্ষীরায় মজুত থাকা তেল বাড়তি দামে বিক্রি, দুই ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

জুলাই হত্যাযজ্ঞ: কাদের-সাদ্দামসহ শীর্ষ ৭ নেতার বিরুদ্ধে তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য

Reporter Name / ৬ Time View
Update : রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ যুবলীগ-ছাত্রলীগের শীর্ষ সাত নেতার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা আহমেদ নাসের উদ্দিন মোহাম্মদ।

রোববার (১৯ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

প্যানেলের অপর সদস্যরা হলেন, বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিত ও নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

এ মামলায় ২৬ নম্বর সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন নাসের উদ্দিন। তিনি এ ঘটনায় তদন্তকালীন কী কী জব্দ করেছেন, তা ট্রাইব্যুনালে পুঙ্খানুপুঙ্খ তুলে ধরেন। কোন দিন, কোন সময়ে এসব জব্দ করা হয়েছে, তা লিপিবদ্ধ করা হয়। তবে জবানবন্দি শেষ না হওয়ায় আগামীকাল সোমবার (২০ এপ্রিল) পর্যন্ত মুলতবি করেন ট্রাইব্যুনাল।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর সহিদুল ইসলাম সরদার, আবদুস সোবহান তরফদারসহ অন্যরা।

এ মামলার সব আসামিই পলাতক রয়েছেন। তাদের অনুপস্থিতিতেই চলছে বিচারকাজ। এরই মধ্যে প্রত্যক্ষদর্শীসহ শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহতরা সাক্ষ্য দিয়েছেন। সবমিলিয়ে ঘটনার সাক্ষী হিসেবে ২৫ জনের জবানবন্দি নেওয়া হয়।

ওবায়দুল কাদের ছাড়া পলাতক অন্যরা হলেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান। তাদের হয়ে আইনি লড়াই করছেন সরকারি খরচে নিয়োগ পাওয়া রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী লোকমান হাওলাদার ও ইশরাত জাহান।

চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দেওয়া ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন আদালত।

প্রসিকিউশনের আনা অভিযোগ অনুযায়ী আসামিরা জুলাই-আগস্টে আন্দোলন দমনে সমন্বিতভাবে নির্দেশ, প্ররোচনা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেন। নেতাকর্মীদের রাজপথে নামিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে আহ্বান জানানোসহ একাধিক বৈঠকে সহিংসতার পরিকল্পনা করেন। কোথাও কোথাও সশস্ত্র হামলা, কঠোর দমন-পীড়ন ও গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখেন। তাদের এসব কর্মকাণ্ডের ফলে দেশজুড়ে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও ব্যাপক সহিংসতা সংঘটিত হয়, যা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে শাস্তিযোগ্য বলে উল্লেখ করে প্রসিকিউশন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category