গরমের দিনে বাইরে বের হওয়ার সময় বেশিরভাগ মানুষ পোশাকের নকশা, আরাম কিংবা ফ্যাশনের দিকে বেশি গুরুত্ব দেন। তবে অনেকেই জানেন না, পোশাকের রংও শরীরের তাপমাত্রা ও স্বস্তির ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। সঠিক রঙের পোশাক নির্বাচন করলে তীব্র রোদেও তুলনামূলকভাবে আরামদায়ক থাকা সম্ভব।
এ বিষয়ে গবেষণা করেছেন জাপানের National Institute for Environmental Studies–এর গবেষক তোশিয়াকি ইচিনোজ। গরম আবহাওয়ায় বিভিন্ন রঙের পোশাক কতটা তাপ শোষণ করে, তা জানতেই তিনি ও তার গবেষণা দল একটি বিশেষ পরীক্ষা পরিচালনা করেন।
গবেষণায় নয়টি ম্যানিকিনকে বিভিন্ন রঙের পোলো শার্ট পরিয়ে দীর্ঘ সময় সরাসরি সূর্যের আলোতে রাখা হয়। ব্যবহৃত রংগুলোর মধ্যে ছিল সাদা, কালো, লাল, হলুদ, নীল, হালকা সবুজ, গাঢ় সবুজসহ আরও কয়েকটি রং।
নির্দিষ্ট সময় পর প্রতিটি ম্যানিকিনের তাপমাত্রা পরিমাপ করে দেখা যায়, সাদা রঙের পোশাক সবচেয়ে কম তাপ শোষণ করেছে। অন্যদিকে কালো রঙের পোশাক সবচেয়ে বেশি তাপ ধরে রেখেছে, ফলে তা সবচেয়ে বেশি গরম অনুভূত হয়েছে।
এ বিষয়ে গবেষণা করেছেন জাপানের National Institute for Environmental Studies–এর গবেষক তোশিয়াকি ইচিনোজ। গরম আবহাওয়ায় বিভিন্ন রঙের পোশাক কতটা তাপ শোষণ করে, তা জানতেই তিনি ও তার গবেষণা দল একটি বিশেষ পরীক্ষা পরিচালনা করেন।
গবেষণায় নয়টি ম্যানিকিনকে বিভিন্ন রঙের পোলো শার্ট পরিয়ে দীর্ঘ সময় সরাসরি সূর্যের আলোতে রাখা হয়। ব্যবহৃত রংগুলোর মধ্যে ছিল সাদা, কালো, লাল, হলুদ, নীল, হালকা সবুজ, গাঢ় সবুজসহ আরও কয়েকটি রং।
নির্দিষ্ট সময় পর প্রতিটি ম্যানিকিনের তাপমাত্রা পরিমাপ করে দেখা যায়, সাদা রঙের পোশাক সবচেয়ে কম তাপ শোষণ করেছে। অন্যদিকে কালো রঙের পোশাক সবচেয়ে বেশি তাপ ধরে রেখেছে, ফলে তা সবচেয়ে বেশি গরম অনুভূত হয়েছে।
গরমে স্বস্তির জন্য কোন রং বেছে নেবেন?
গবেষণার আলোকে তীব্র রোদে বাইরে বের হওয়ার সময় নিচের রংগুলো তুলনামূলকভাবে বেশি স্বস্তিদায়ক হতে পারে—
> সাদা
> হলুদ
> ধূসর
> লাল
আর দীর্ঘ সময় খোলা রোদে থাকলে কালো ও নীল রঙের পোশাক এড়িয়ে চলা ভালো।
পোশাকের কাপড়ের ধরন যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি এর রংও শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। তাই এই গ্রীষ্মে শুধু ফ্যাশন নয়, স্বস্তির কথাও মাথায় রেখে পোশাকের রং নির্বাচন করুন।