• শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:১৭ অপরাহ্ন
Headline
ছুটির দিনেও চালু থাকবে বিএসটিআই সেবা মণিপুরে থামছে না সংঘর্ষ, গোলাগুলিতে আরও ৩ জনের মৃত্যু তাপমাত্রা ৫৫ ডিগ্রি উঠতে পারে, এমন পূর্বাভাস দেয়নি আবহাওয়া অধিদপ্তর হাম উপসর্গে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ পিএইচডি শিক্ষার্থী বৃষ্টিও বেঁচে নেই, জানালেন ভাই এসএসসির প্রশ্নপত্র ফাঁসের নামে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার ৪ ‘জুলাই সনদের প্রতিটি দফা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করতে সরকার বদ্ধপরিকর’ ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে মানুষ আবাবিল পাখির মতো রাজপথে নেমে আসবে’ বিএনপি ফ্যাসিবাদের রাস্তা ধরে হাঁটা শুরু করেছে : শফিকুর রহমান সদস্যদেশকে বহিষ্কার করার কোনো বিধান জোটে নেই: ন্যাটো

মণিপুরে থামছে না সংঘর্ষ, গোলাগুলিতে আরও ৩ জনের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৩ Time View
Update : শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুরে ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে জাতিগত সহিংসতা। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) গভীর রাতে রাজ্যের উখরুল জেলার মুল্লাম গ্রামে দুই প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলিতে অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন। মণিপুর পুলিশ এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

পুলিশের দেওয়া তথ্যমতে, উখরুল জেলায় দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে ভারী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে গোলাগুলি চলে। এতে তিনজন ঘটনাস্থলেই গুলবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারান। তবে নিহতরা কোন সম্প্রদায়ের, তা এখনো স্পষ্ট করেনি প্রশাসন। নতুন করে উত্তেজনা ছড়ানো এড়াতে ওই এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে এবং বর্তমানে চিরুনি অভিযান চলছে।

প্রায় তিন বছর ধরে মণিপুরে সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দু মেইতেই এবং প্রধানত খ্রিস্টান কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ চলছে। এই সহিংসতায় এখন পর্যন্ত ২৫০ জনের বেশি নিহত হয়েছেন।

এই দ্বন্দ্বের মূল কারণ ভূমি ও সরকারি চাকরিতে আধিপত্য নিয়ে প্রতিযোগিতা। মানবাধিকারকর্মীরা অভিযোগ করেছেন, রাজনৈতিক সুবিধার জন্য স্থানীয় নেতারা এই জাতিগত বিভাজন আরও উসকে দিচ্ছেন।

২০২৩ সালে শুরু হওয়া সহিংসতায় প্রায় ৬০ হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয় বলে সরকারি তথ্য জানায়। কিছুটা শান্ত হলেও চলতি মাসের শুরুতে আবার সহিংসতা বাড়ে।

এদিকে, বৃহস্পতিবার মণিপুর ও মিজোরাম থেকে ২৪৯ জন ভারতীয় তেল আবিব-এ পৌঁছেছেন। তারা বনেই মেনাশে সম্প্রদায়ের সদস্য, যারা নিজেদের ইসরায়েলের ‘হারিয়ে যাওয়া গোত্র’-এর বংশধর বলে দাবি করেন। ইসরায়েল সরকার গত নভেম্বরে এই সম্প্রদায়ের প্রায় ছয় হাজার সদস্যকে সেখানে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category