শিক্ষক নিয়োগ, সরকারি কেনাকাটা ও অন্যান্য কাজে দুর্নীতি হয়েছে কি না, তার তদন্ত শুরু করায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আগুন দেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
তিনি বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন না যে ডিজি প্রাইমারি অফিসে আগুন লাগিয়ে দিয়েছেন; কাগজপত্র, নথিপত্র, কম্পিউটার সব পুড়িয়ে দিয়েছেন। পেছনের জিনিসপত্র নিয়ে খোঁজ নিতে গেলেই এমন হবে। সমস্যা বাড়বে। প্রাথমিকের অফিসে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে একই কারণে। এখন কী করবেন? ধীরে ধীরে কৌশলে শুরু করতে হবে।’
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
শিক্ষকদের জাল সনদ ধরা পড়ছে, আরও জাল শিক্ষক রয়েছেন। তাদের ধরতে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে- এমন প্রশ্নে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ) থেকে একদম নতুনভাবে জাল শিক্ষক শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। আমাদের সফটওয়্যারও ডেভলপ হচ্ছে। নতুন অ্যাপ আসছে, সেগুলোতে তাদের সনদ যাচাই করা হবে। একদিনে তো সব হবে না, কারণ এগুলো অনেক বছর ধরে হয়ে আসছে।
গত ১ মে ভোর ৫টার দিকে রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নতুন ভবনে অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এতে বেশ কয়েকটি কক্ষের নথিপত্র ও গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র পুড়ে ভস্মীভূত হয়।