কুতুবজোম ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও এলাকার চায়ের দোকানসহ সর্বত্র নির্বাচনি হাওয়া বইছে। ইতোমধ্যে বর্তমান-সাবেক চেয়ারম্যান, রাজনীতিবিদ, উদ্যোক্তা, সমাজসেবক ও ব্যবসায়ীসহ ১২ জনের অধিক প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা গুঞ্জন শুনা যাচ্ছে, এটি গনতন্ত্রের জন্য নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক দিক, যা ভোটারগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মধ্যে দিয়ে গণতান্ত্রিক চর্চাকে আরো সুসংহত করবে।
বাংলাদেশের একমাত্র
পাহাড়ি দ্বীপ মহেশখালী উপজেলার সর্ব দক্ষিণ-পশ্চিমে সাগর ঘেঁষে কুতুবজোম ইউনিয়ন অবস্থিত। কুতুবজোম জীব বৈচিত্র্যসহ প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর একটি ইউনিয়ন।
জাতীয় নির্বাচনের পর পরই স্থানীয় নির্বাচনকে ঘিরে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের বেশ আগ্রহ পরিলক্ষিত হচ্ছে। যার ফলে দিন যতই ঘনিয়ে আসছে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের কৌতূহল বাড়ছে এবং পুরোনো মুখ ফিরবে, নাকি নতুন নেতৃত্ব আসছে এমন প্রশ্ন ভোটারদের মুখে মুখে।
এবারের নির্বাচনে
প্রাকৃতিক সম্পদ প্যারাবন ধ্বংসযজ্ঞের সাথে সম্পৃক্ত চেয়ারম্যান প্রার্থীদের ব্যাপারে ভোটারদের মধ্যে বেশ আলোচনা ও উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
বিশ্লেষক ও সাধারণ ভোটারদের মতে, এবারের নির্বাচনে প্রার্থীদের ব্যক্তি পরিচিতি ও গ্রহণযোগ্যতা, নিজস্ব ভোট ব্যাংক, নেতৃত্বের গুনাবলী, সাংগঠনিক দক্ষতা, সামাজিক আন্দোলনে সম্পৃক্ততা ভোটারদের কাছে গুরুত্ব পাবেন।
কুতুবজোম ইউনিয়নের জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও নাগরিকসুবিধাদিসহ একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়তে তরুণ প্রজন্ম অর্থাৎ নতুন নেতৃত্বের বিকল্প নেই।