ঘরোয়া ক্রিকেটের নানা সংকট ও ত্রুটির কথা বিভিন্ন সময়ে শোনা যায়। সেসব কাটিয়ে উঠতে চেষ্টা চালাচ্ছে বিসিবি। গত অর্ধযুগের বেশি সময় ধরে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটকে আরও উন্নতির জন্য ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছেন মিনহাজুল আবেদিন নান্নু। এ সময়ে বিভিন্ন বাস্তবধর্মী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
সম্প্রতি গণমাধ্যমকে নান্নু বলেন, ‘আমাদের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটকে কীভাবে আরও প্রতিযোগিতামূলক করা যায়, তা নিয়ে আমরা যথেষ্ট কাজ করেছি। মাঠ ও পিচের প্রতিটি জায়গায় ঘাসের ৬ মিলিমিটার বজায় রাখা এবং বলের ধরনে পরিবর্তন আনা হয়েছে।’
আগে কোকাবুরা বল ব্যবহার করা হতো, সেখানে এখন ডিউক বলের খেলা চালু করা হয়েছে। নান্নু বলেন, ‘কোকাবুরা বলের পরিবর্তে আমরা ডিউক বল প্রবর্তন করেছি, যা তুলনামূলক বেশি সুইং করে এবং এতে ব্যাটারদের স্কিল বা দক্ষতা বৃদ্ধির সুযোগ থাকে। নতুন এই পদ্ধতির কারণেই ফাস্ট বোলাররা ম্যাচের শেষ দিকেও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে, যা আমাদের সাম্প্রতিক সাফল্যের অন্যতম কারণ।’
পুরোনো সংস্কৃতিতে পরিবর্তন আনায় এখন পেসারদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিযোগিতা তৈরি হয়েছে বলেও মনে করেন সাবেক এই নির্বাচক, ‘ফাস্ট বোলাররা সারাদিন মাঠে থাকার পরও শেষ বিকেলে বোলিং করার আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়েছে। তবে আমরা এখনও ম্যাচের মাত্র ৪৮ ঘণ্টা আগে কোচ নির্ধারণ করার মতো অবস্থায় আছি। এই পরিস্থিতি থেকে আমাদের অবশ্যই বেরিয়ে আসতে হবে।’