• সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ০৩:৪২ অপরাহ্ন

ক্রীড়াঙ্গনে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হতে যাচ্ছে: আমিনুল হক

স্পোর্টস ডেস্ক / ৭ Time View
Update : শনিবার, ২ মে, ২০২৬

দেশের ক্রীড়াঙ্গনে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হতে যাচ্ছে আজ (শনিবার)। তৃণমূল থেকে দক্ষ ক্রীড়াবিদ খুঁজে বের করার লক্ষ্যে দেশব্যাপী শুরু হচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’। এদিন বিকাল ৩টায় সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে এই প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মূল অনুষ্ঠান শুরুর আগে সিলেটে গণমাধ্যমকে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, নির্বাচনের আগেই ইশতেহারে প্রধানমন্ত্রী স্পোর্টসকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন। দেশ গড়ার পরিকল্পনার অন্যতম অংশ ছিল স্পোর্টস। ইশতেহার বাস্তবায়নে আমরা কাজ করছি। সরকার ইতিমধ্যে ক্রীড়া কার্ড ও ক্রীড়াভাতা চালু করেছে।

তিনি আরও বলেন, ‘নতুন কুঁড়ি’ স্পোর্টসের মাধ্যমে আজ বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন একটি অধ্যায় শুরু হতে যাচ্ছে। তৃণমূলে যে প্রতিভা আছে, তা অনেক সময় দৃশ্যমান হয় না। সিলেটে গতকাল রাত থেকে প্রচুর বৃষ্টি হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী খাল খনন কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। আশা করছি বিকাল ৩টায় সিলেট জেলা স্টেডিয়াম উপস্থিত থেকে একসঙ্গে ৬৪ জেলায় ভার্চুয়ালি ‘নতুন কুড়ি স্পোর্টস’ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

উদ্বোধনী ভেন্যু হিসেবে ঢাকার পরিবর্তে সিলেটকে বেছে নেওয়ার পেছনে রয়েছে খোদ প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনা। এ প্রসঙ্গে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঢাকা থেকে আমরা নতুন কুড়ি স্পোর্টস শুরু করব কি না এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বলেছিলাম। উনি বললেন, আমাকে ঢাকায় রাইখো না। ঢাকার বাহিরে নিয়ে যাও। সবসময় ঢাকা থেকে শুরু করা হয়। আমি চাই এটা ঢাকার বাহিরে থেকে শুরু হোক। তারই পরিকল্পনা অনুযায়ী আমরা সিলেট থেকে শুরু করছি।

১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের নিয়ে মোট ৮টি জনপ্রিয় ইভেন্টে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। খেলাগুলো প্রথমে শুরু হবে উপজেলা পর্যায়ে। সেখান থেকে বিজয়ীরা জেলা ও বিভাগীয় পর্যায় হয়ে সবশেষে জাতীয় পর্যায়ে অংশ নেবে। ১৩-২২শে মে’র মধ্যে শেষ হবে আঞ্চলিক পর্বের খেলা।

পুরো বাংলাদেশকে ১০টি শক্তিশালী অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে। সেগুলো হলো ঢাকা, ফরিদপুর, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, রংপুর, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ। এসব অঞ্চলের মধ্যে বিভিন্ন জেলা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রতিটি পর্যায়ে একটি শক্তিশালী প্রশাসনিক ও বাস্তবায়ন কমিটি পুরো প্রক্রিয়াটি তদারকি করছে, যাতে কোনো মেধা অবমূল্যায়িত না হয়।

ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি ও ব্যাডমিন্টনের প্রতিটি পর্যায়ে নকআউট পদ্ধতিতে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। দাবায় আন্তর্জাতিক মানদন্ড অনুযায়ীয় সুইস লিগ পদ্ধতিতে খেলা হবে। ব্যক্তিগত ইভেন্ট অ্যাথলেটিক্স, সাঁতার ও মার্শাল আর্টের ক্ষেত্রে প্রাথমিক বাছাই (হিট/নকআউট) এবং ফাইনাল রাউন্ডের মাধ্যমে ফলাফল নির্ধারণ করা হবে। প্রতিযোগিতায় একজন খেলোয়াড় সর্বোচ্চ দু’টি খেলায় অংশ নিতে পারবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category