• সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ০৪:০৪ অপরাহ্ন

ইবির স্বতন্ত্র ‘ডি’ ইউনিটে ভর্তি শুরু ১০ মে

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি / ৮ Time View
Update : শনিবার, ২ মে, ২০২৬

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) স্বতন্ত্র ‘ডি’ ইউনিটে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম আগামী ১০ মে থেকে শুরু হচ্ছে। এ সংক্রান্ত ভর্তি বিজ্ঞপ্তি এবং বিশেষ কোটায় আবেদন সংক্রান্ত নির্দেশনা প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের ডিন ও ‘ডি’ ইউনিটের সমন্বয়কারী অধ্যাপক ড. সেকান্দার আলী এবং বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক স্বাক্ষরিত পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এবার ‘ডি’ ইউনিটে মোট ৩৩০টি আসন রয়েছে। এর মধ্যে আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ, আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ এবং দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে ৮০টি করে আসন এবং আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে ৯০টি আসন নির্ধারিত রয়েছে।

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, প্রথম মেধা তালিকায় স্থানপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎকার ১০ থেকে ১২ মে পর্যন্ত অফিস চলাকালীন সময়ে অনুষদ ভবনের ৪র্থ তলায় ‘ডি’ ইউনিটের সমন্বয়কারীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে। সাক্ষাৎকারে উপস্থিতির ভিত্তিতে চূড়ান্ত ভর্তির অনুমতিপত্র দেওয়া হবে। এরপর নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ১৯ মে ২০২৬-এর মধ্যে নির্ধারিত ফি প্রদান করে ভর্তি সম্পন্ন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি সম্পন্ন না করলে সুযোগ বাতিল হবে।

এদিকে, বিভাগ পরিবর্তনে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের ১৪ থেকে ১৫ মে’র মধ্যে আবেদন করতে হবে। আসন খালি থাকা সাপেক্ষে দ্বিতীয় মেধা তালিকার সাক্ষাৎকার ২২ ও ২৩ জুন অনুষ্ঠিত হবে। তৃতীয় মেধা তালিকার সাক্ষাৎকারের সময়সূচি পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে জানানো হবে।

সাক্ষাৎকারের সময় ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষার মূল প্রবেশপত্র (পরিদর্শক স্বাক্ষরিত), এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র, রেজিস্ট্রেশন কার্ড, মার্কশিট, সনদপত্র বা প্রশংসাপত্র এবং সদ্য তোলা ৮ কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি সঙ্গে আনতে হবে।

অন্যদিকে, বিশেষ কোটায় ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা ন্যূনতম ৩০ শতাংশ নম্বর পেলে আগামী ৩ থেকে ১০ মে পর্যন্ত সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত আবেদন করতে পারবে। শুধুমাত্র মূল ভর্তি প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরাই এ কোটায় আবেদন করতে পারবে।

বিশেষ কোটার মধ্যে রয়েছে- মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, হরিজন/দলিত জনগোষ্ঠী, শারীরিক প্রতিবন্ধী, খেলোয়াড় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য পোষ্য কোটা। আবেদন প্রক্রিয়াকরণ ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০০ টাকা।

কোটায় ভর্তির বিষয়ে সমন্বয়কারী অধ্যাপক ড. সেকান্দার আলী বলেন, “গত বছর বা তার আগের বার কোটায় পর্যাপ্ত প্রার্থী পাওয়া যায়নি। কেউ যদি ভর্তি পরীক্ষায় পাসই না করে, তাহলে তাকে ভর্তি করানোর সুযোগ নেই। কোটায় কতজন শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পাবে, তা চূড়ান্ত ভর্তি প্রক্রিয়া শেষে নির্ধারণ করা যাবে।”

তিনি আরও জানান, খুব শিগগিরই কোটায় আবেদনকারীরা তাদের প্রাপ্ত নম্বর উত্তোলন শুরু করবে এবং এরপরই পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে কতজন শিক্ষার্থী ৩০-এর বেশি নম্বর পেয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category