রাজধানীর উত্তরায় স্কুলছাত্রী অপহরণের ঘটনায় গ্রেফতার লামিন ইসলামকে (১৯) কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে রিমান্ড শুনানির জন্য আগামী ৪ মে দিন ঠিক করা হয়েছে।
শনিবার (২ মে) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
ঢাকা মহানগর প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক তাহমিনা আক্তার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, মামলার ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বর্তমানে চিকিৎসাধীন। পরবর্তী ধার্য তারিখে ২২ ধারায় তার জবানবন্দি গ্রহণ করা হবে। এরপর আসামির রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পূর্ব থানার উপপরিদর্শক ফরিদুজ্জামান আসামিকে আদালতে হাজির করে পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সঙ্গে আসামির সরাসরি সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
তদন্ত কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে এবং স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভীতি তৈরি হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতার, অপহরণে ব্যবহৃত যানবাহনের তথ্য সংগ্রহ এবং পুরো ঘটনার রহস্য উদঘাটনে আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ জরুরি বলে আবেদন করা হয়।
পুলিশ জানায়, গত ১ মে গাজীপুরের পুবাইল থানার একটি এলাকা থেকে লামিন ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। একই সময় অপহৃত শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতার আসামির বাড়ি গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার রায়েরদিয়া উলুখোলা এলাকায়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী উত্তরার একটি স্কুলের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। গত ২২ এপ্রিল পরীক্ষা শেষে বাবার সঙ্গে বাসায় ফেরার পথে উত্তরা পূর্ব থানার সেক্টর-৬ এলাকায় পৌঁছালে লামিন ও তার সহযোগীরা তাকে জোর করে একটি প্রাইভেটকারে তুলে নিয়ে যায়।